• ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২, বৃহস্পতি ১২ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Recovery Rate

স্বাস্থ্য

রাজ্যে আরও বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, বাংলায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছে ২ হাজার ১৫৫ জন। যার মধ্যে সর্বোচ্চ কলকাতায় (৫৩৯)। প্রত্যাশা মতোই তারপরই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। একদিনে সে জেলায় আক্রান্ত ৪৮৫ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হুগলি ও হাওড়াতেও অব্যাহত সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় এই তিন জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন যথাক্রমে ১২৯, ১৩৬ ও ১২১ জন। এদিকে পাহাড়ে পর্যটকদের ভিড় বাড়তেই লাগামছাড়া হয়ে পড়েছিল দার্জিলিংয়ের করোনা পরিস্থিতি। যদিও বর্তমানে তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। একদিকে সেখানে আক্রান্ত ৭৩ জন। যদিও সংখ্যাটা গতকালের তুলনায় বেশ খানিকটা বেশি। সবমিলিয়ে বাংলার মোট করোনা আক্রান্ত ৫ লক্ষ ৩৪ হাজার ৮৫০ জন। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে করোনায় আশা জোগাচ্ছে সুস্থতার ঊর্ধ্বমুখী হার গত কয়েকদিন ধরেই কমছে অ্যাকটিভ কেস। এদিনও ব্যতিক্রম হল না। বর্তমানে চিকিৎসাধীন করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৪৬০ জনে। একদিনে করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ২ হাজার ৭১৭ জন। ফলে রাজ্যে মোট করোনা জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫ লক্ষ ৭ হাজার ৭০ জন। সুস্থতার হার ৯৪.৮১। তবে মারণ ভাইরাস এখনও প্রাণ কাড়ছে মানুষের। একদিনে ভাইরাসের বলি ৪৩ জন। যার মধ্যে শুধু কলকাতাতেই একদিনে প্রাণ হারিয়েছেন ৯ জন। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ হাজার ৩২০ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪২ হাজার ২৫৭ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট ৬৬ লক্ষ ৬৬ হাজার ৭৭ টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।

ডিসেম্বর ২০, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে করোনায় আশা জোগাচ্ছে সুস্থতার ঊর্ধ্বমুখী হার

রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, বাংলায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছে ২ হাজার ২৩৯ জন। যার মধ্যে কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনায় একদিনে আক্রান্ত ৫৯৫ এবং ৫২৪ জন। এরপরই তালিকায রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হুগলি ও হাওড়া। গত ২৪ ঘণ্টায় এই তিন জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন যথাক্রমে ১৫৩, ১১৮ ও ১০০ জন। এদিকে পাহাড়ে পর্যটকদের ভিড় বাড়তেই লাগামছাড়া হয়ে পড়েছিল দার্জিলিংয়ের করোনা পরিস্থিতি। যদিও বর্তমানে তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। একদিকে সেখানে আক্রান্ত ৪২ জন। সবমিলিয়ে বাংলার মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লক্ষ ৩২ হাজার ৬৯৫ জন। গতকালের তুলনায় কমেছে অ্যাকটিভ কেসও। বর্তমানে চিকিৎসাধীন করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ৬৫ জন। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে মোট করোনাজয়ী সংখ্যা পেরল ৫ লক্ষের গণ্ডি ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ২ হাজার ৭২৯ জন। ফলে রাজ্যে মোট করোনা জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫ লক্ষ ৪ হাজার ৩৫৩ জন। সুস্থতার হার ৯৪.৬৮। তবে মারণ ভাইরাস এখনও প্রাণ কাড়ছে মানুষের। একদিনে ভাইরাসের বলি ৪২ জন। যার মধ্যে শুধু কলকাতাতেই একদিনে প্রাণ হারিয়েছেন ১০ জন। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ হাজার ২৭৭ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪২ হাজার ৩৫৫ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট ৬৬ লক্ষ ২৩ হাজার ৮২০ টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে মোট করোনাজয়ী সংখ্যা পেরল ৫ লক্ষের গণ্ডি

গত ২৪ ঘণ্টায় এ রাজ্যে করোনা ভাইরাসে নতুন করে আক্রান্ত ২২৪৫ জন, বুধবার যা ছিল ২২৯৩। দৈনিক সুস্থতার হারও বেশি। একদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২৭৪৭ জন। এ নিয়ে রাজ্যে মোট করোনাজয়ীর সংখ্যা পেরিয়ে গেল ৫ লক্ষ। সুস্থতার হার ৯৪.৫৬ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার বলি রাজ্যের ৪৪ জন, বুধবার যা ছিল ৪৪। স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ নিয়ে রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লক্ষ ২৮ হাজার ২১১, যার মধ্যে এই মূহুর্তে অ্যাকটিভ করোনা রোগী ১৯,৫৯৭। এ নিয়ে বাংলায় করোনার থাবায় মৃত্যু হয়েছে মোট ৯২৩৫। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে বেড়েই চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা অন্যদিকে, করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সুস্থতার হারে আশার আলো দেখাচ্ছে বাংলা। এ নিয়ে রাজ্যে করোনাজয়ীর সংখ্যা পেরিয়ে গেল ৫ লক্ষ। জানা গিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪২,৪৭৩টি, যার মধ্যে ৮.০৬ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ। মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৬৫ লক্ষ ৩৮ হাজার ৯৯২। এই পরীক্ষার সংখ্যা আরও বাড়িয়ে, আরও দ্রুত করোনা রোগীকে চিহ্নিত করে চিকিৎসা শুরু করার লক্ষ্যে পরিকাঠামোর আরও উন্নতি হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে। তবে এখনও সংক্রমণের শীর্ষে কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা। এই দুই জেলায় এখনও অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা যথাক্রমে ৪৬৫৮ এবং ৩৮৫৪। করোনাযুদ্ধে এগিয়ে তিন জেলা আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং, ঝাড়গ্রাম। এই তিন জায়গাতেই করোনা রোগী একশোর কম।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে বেড়েই চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, বাংলায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছে ২ হাজার ২৯৩ জন। যার মধ্যে কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনায় একদিনে আক্রান্ত ৫৪৭ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পশ্চিম বর্ধমানের সংক্রমণের ছবিটাও বিশেষ স্বস্তিজনক নয়। একদিনে এই দুই জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন যথাক্রমে ১৬৪ ও ১১২। হাওড়া, হুগলি ও নদিয়ায় একদিনে সংক্রমিত যথাক্রমে ১১৫, ১১৮ ও ১০৫ জন। সবমিলিয়ে বাংলার মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লক্ষ ২৮ হাজার ২১১ জন। তবে গতকালের তুলনায় কমেছে অ্যাকটিভ কেস। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্ত ৫ লক্ষ ২৬ হাজার বর্তমানে চিকিৎসাধীন করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা ২০ হাজার ১৪৩। ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ২ হাজার ৭৬৭ জন। ফলে রাজ্যে মোট করোনাজয়ী ৪ লক্ষ ৯৮ হাজার ৮৭৭ জন। সুস্থতার হার ৯৪.৪৫ শতাংশ। তবে মারণ ভাইরাস এখনও প্রাণ কাড়ছে মানুষের। একদিনে ভাইরাসের বলি ৪৬ জন। যার মধ্যে শুধু কলকাতাতেই একদিনে প্রাণ হারিয়েছেন ১৭ জন। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ হাজার ১৯১ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪২ হাজার ২৫৬ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট ৬৫ লক্ষ ৩৮ হাজার ৯৯২ টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্ত ৫ লক্ষ ২৬ হাজার

রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, বাংলায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছে ২ হাজার ২৮৯ জন। যার মধ্যে সর্বাধিক সংক্রমিতের হদিশ মিলেছে উত্তর ২৪ পরগনায় (৫২৩)। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কলকাতা (৫০৩)।দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পশ্চিম বর্ধমানের সংক্রমণের ছবিটাও বিশেষ স্বস্তিজনক নয়। একদিনে এই দুই জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন যথাক্রমে ১৬৪ ও ১২৩। গত ২৪ ঘণ্টায় আবার হাওড়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ১১৩ জন। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে অনেকটা নিম্নমুখী করোনায় দৈনিক সংক্রমণ সবমিলিয়ে বাংলার মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লক্ষ ২৫ হাজার ৯১৮ জন। তবে গতকালের তুলনায় কমেছে অ্যাকটিভ কেস। বর্তমানে চিকিৎসাধীন করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ৬৬৩ জন। স্বস্তি দিয়ে বাড়ছে বাংলায় কোভিডজয়ীর সংখ্যাও। ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ২ হাজার ৯৬৫ জন। ফলে রাজ্যে মোট করোনা জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ৯৬ হাজার ১১০ জন। সুস্থতার হার ৯৪.৩৩। তবে মারণ ভাইরাস এখনও প্রাণ কাড়ছে মানুষের। একদিনে ভাইরাসের বলি ৪৫ জন। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ হাজার ১৪৫ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪১ হাজার ৫৬৯ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট ৬৪ লক্ষ ৯৬ হাজার ৭৩৬ টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে অনেকটা নিম্নমুখী করোনায় দৈনিক সংক্রমণ

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৮৩৪জন, মৃত্যু হয়েছে ৪৩ জনের। তুলনায় সুস্থতার সংখ্যা অনেকটাই বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার কবল থেকে সুস্থ হয়ে ফিরেছেন ২৯৮০। এ নিয়ে বঙ্গে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়াল ৯৪.১৮ শতাংশ। রবিবারও রাজ্যে নতুন করে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২৭১০। সেই তুলনায় সোমবার সংখ্যা কমল অনেকটাই। এ নিয়ে বাংলায় করোনা রোগীর সংখ্যা ৫ লক্ষ ২১ হাজার ৭৯৫, যার মধ্যে অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা ২১, ৩৮৪। গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৩ জন করোনার বলি হওয়ায় এ নিয়ে মৃতের সংখ্য়া দাঁড়াল ৯১০০। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে ফের বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার আর সুস্থ হয়েছেন রাজ্যের মোট ৪ লক্ষ ৯৩ হাজার ১৪৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৩১, ৬৭১টি। এর মধ্যে ৮.১১ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ। কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনার করোনা পরিসংখ্যান অবশ্য এখনও উদ্বেগজনকই। তুলনায় করোনাযুদ্ধে উত্তর ২৪ পরগনা ধীরে ধীরে এগোচ্ছে। এই মুহূর্তে সেখানে অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা ৪২৬৯। কলকাতায় করোনা পজিটিভ রোগী ৫১৫৭।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে ফের বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২৫৮০ জন। তবে করোনায় দৈনিক মৃতের সংখ্যা সামান্য বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনার বলি ৪৭ জন, শনিবার তা ছিল ৪৪। একই সময়ে রাজ্যে করোনার কবল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৯৯৪ জন, যা দৈনিক সংক্রমণের তুলনায় অনেকটাই বেশি। এ নিয়ে রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়াল ৯৩.৯৪ শতাংশ। স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত দুদিনের তুলনায় সপ্তাহান্তে রাজ্যে করোনা সংক্রমণ বেশ খানিকটা কম। এ নিয়ে রাজ্যে মোট করোনায় আক্রান্ত ৫ লক্ষ ১৯ হাজার ২১৫ জন, যার মধ্যে অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা ২২, ৫৭৩। শনিবারের তুলনায় অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা কমেছে। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে করোনার বলি হয়েছেন ৯০৫৭। আর মোট সুস্থতার সংখ্যা ৪ লক্ষ ৯০ হাজার ১৬৫। আরও পড়ুন ঃ দৈনিক সংক্রমণের তুলনায় সুস্থতার হার খানিকটা বেশি করোনা সংক্রমণের শীর্ষে যথারীতি দুই জেলা কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনা। কলকাতায় এখনও অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ৫ হাজারের বেশি। তুলনায় উত্তর ২৪ পরগনার করোনা পরিসংখ্যান কিছুটা আশা জোগাচ্ছে। এখানে এই মুহূর্তে সাড়ে চার হাজারের সামান্য বেশি মানুষ করোনা পজিটিভ। করোনাযুুদ্ধে ভাল অবস্থানে রয়েছে দুই তিন জেলা কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, ঝাড়গ্রাম। তিন জেলাতেই করোনা পজিটিভের সংখ্যা ১০০র কম। পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪১,২১৮ টি, যার মধ্যে ৮.১২ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২০
স্বাস্থ্য

দৈনিক সংক্রমণের তুলনায় সুস্থতার হার খানিকটা বেশি

স্বাস্থ্য দপ্তরের নতুন পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন রাজ্যে ২৭১০ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪৪ জনের। তুলনায় অনেকটাই বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৯১৩ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়াল ৯৩.৮৩ শতাংশ। এ নিয়ে রাজ্যে মোট করোনার বলি ৯০১০। করোনায় মোট আক্রান্ত ৫ লক্ষ ১৬ হাজার ৫০৫, যার মধ্যে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ২৩,০৩৪। পরিসংখ্যান বলছে, এ পর্যন্ত করোনার কবল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪ লক্ষ ৮৭ হাজার ১৭১ জন। আরও পড়ুন ঃ নিম্নমুখী রাজ্যের কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা তবে সংক্রমণের শীর্ষে সেই কলকাতাই। এখানে এই মুহূর্তে অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা ২৭৭১। ঠিক পিছনেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা, এখানে করোনা পজিটিভ ২১৪২। সংক্রমণের গোড়া থেকেই এই দুই জায়গাই বারবার চিন্তিত করেছে বিশেষজ্ঞদের। বছরশেষেও সেই উদ্বেগ কমছে না। করোনাযুদ্ধে এগিয়ে দুই জেলা কালিম্পং ও ঝাড়গ্রাম। দুই জেলায় করোনা রোগীর সংখ্যা এই মুহূর্তে একশোর কম। স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪২,১০৭ টি, যার মধ্যে ৮.১৪ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ। এ নিয়ে রাজ্যে করোনার মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৬৩,৪০,১৭১টি।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২০
স্বাস্থ্য

নিম্নমুখী রাজ্যের কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা

স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২,৭৫৩ জন। তাঁদের মধ্যে ৬৭৯ জনই কলকাতার। অর্থাৎ সংক্রমণের নিরিখে এদিনও প্রথমে তিলোত্তমা। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন করে সংক্রমিত ৬৬৪ জন। ফের তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে হাওড়া। নতুন করে সেখানকার ১৫৫ শরীরে থাবা বসিয়েছে মারণ ভাইরাস। এছাড়া অন্যান্য প্রায় সব জেলা থেকেই এদিন হদিশ মিলেছে নতুন আক্রান্তের। ফলে মোট সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫,১৬,৫০৫। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে দৈনিক সংক্রমিতের তুলনায় বেশি করোনাজয়ীর সংখ্যা এদিন মারণ করোনা প্রাণ কেড়েছে বাংলার ৫০ জনের। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনই উত্তর ২৪ পরগনার। অর্থাৎ মৃত্যুর নিরিখে প্রথম স্থানে ওই জেলা। দ্বিতীয়ে কলকাতা। একদিনে করোনার বলি সেখানকার ১৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে জয় করে হাসিমুখে ঘরে ফিরেছেন বাংলার ২, ৮৭৩ জন। তাঁদের মধ্যে ৭৩৫ জন কলকাতার। উত্তর ২৪ পরগনার ৭৩৯ জন। এখনও পর্যন্ত করোনাকে পরাস্ত করেছেন বাংলার ৪, ৮৪, ২৫৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪২, ১৩১ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৬৩, ৪০, ১৭১ জনের। বাংলায় মোট কোভিড হাসপাতাল রয়েছে ১০২টি। বর্তমানে হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ১১, ০৭, ২২৫ জন। মোট সেফ হোমের সংখ্যা ২০০টি। সেখানে রয়েছেন ৪৮৬ জন।

ডিসেম্বর ১২, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে দৈনিক সংক্রমিতের তুলনায় বেশি করোনাজয়ীর সংখ্যা

স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা থাবা বসিয়েছে বাংলার ২,৮০১ জনের শরীরে। একদিনে আক্রান্তদের মধ্যে কলকাতার ৬২২ জন। উত্তর ২৪ পরগনার ৬১৩ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার নতুন করে আক্রান্ত ১৬৭ জন। উত্তরবঙ্গের মধ্যে দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ির কোভিড গ্রাফ উর্ধ্বমুখী। ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫, ১৩, ৭৫২। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার বলি হয়েছেন রাজ্যের ৪৯ জন। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে ফের বাড়ল দৈনিক করোনা সংক্রমণ তাঁদের মধ্যে ১৯ জন কলকাতার। ১৩ জন উত্তর ২৪ পরগনার। অর্থাৎ দৈনিক মৃতের নিরিখে এদিন প্রথমে কলকাতা। দ্বিতীয়ে উত্তর ২৪ পরগনার। মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮,৯১৬। একদিনে করোনাকে হারিয়ে ঘরে ফিরেছেন বাংলার ২, ৯৫১ জন। তাঁদের মধ্যে ৭৫৬ জনই কলকাতার। অর্থাৎ সুস্থতার নিরিখেও প্রথমস্থানে তিলোত্তমা। এখনও পর্যন্ত বাংলার মোট করোনাজয়ীর সংখ্যা ৪, ৮১, ৩৮৫ জন। তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪২, ১৫২ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট কোভিড টেস্ট হয়েছে ৬২, ৯৮, ০৪০ জনের।

ডিসেম্বর ১১, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে ফের বাড়ল দৈনিক করোনা সংক্রমণ

স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত চব্বিশ ঘণ্টায় রাজ্যে ২ হাজার ৯৪১ জনের শরীরে মিলেছে করোনা সংক্রমণ। এ নিয়ে রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লক্ষ ৫ হাজার ৫৪। তবে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা এই মুহূর্তে ২৩,৭৫০জন। গত চব্বিশ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ৫৪ জন। মোট মৃতের সংখ্যা ৮৮২০। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২৯৭১। এ নিয়ে করোনার কবল থেকে সুস্থ হলেন মোট ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার ৪২৫ জন। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে অনেকটাই কমল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৩.৫৯ শতাংশ। কলকাতায় করোনা রোগীর সংখ্যা ৫৮৯৮। সংক্রমণের নিরিখে দ্বিতীয় হলেও উত্তর ২৪ পরগনায় কমেছে করোনা পজিটিভের সংখ্যা। এই মুহূর্তে তা ৪৯৮০। করোনাযুদ্ধে রাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে ভাল অবস্থায় রয়েছে দুই জেলা আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং। স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৪,২৩০টি। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়াল ৬১ লক্ষ ৬৭ হাজার ৩০৭, যার মধ্যে ৮.১৮ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে অনেকটাই কমল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ

রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের সোমবারের বুলেটিন অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ২১৪ জন। সার্বিক সংক্রমণ খানিকটা কমলেও শীর্ষে সেই কলকাতাই। এখানে একদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৯৩ জন। ঠিক তারপরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। দক্ষিণবঙ্গের এই জেলাতেও সংক্রমণ লেগেই রয়েছে। তার ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫ লক্ষ ৫ হাজার ৫৪ জন। তবে দৈনিক মৃতের সংখ্যা এদিন বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৪৮ জনের। যা গতকালের তুলনায় কিছুটা বেশি। রাজ্যে মোট ৮ হাজার ৭৭১ জন করোনার বলি হয়েছেন। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে করোনায় দৈনিক সংক্রমণ, মৃত্যুর হারে সামান্য স্বস্তি তবে বাংলায় সকলকে অক্সিজেন জোগাচ্ছে সুস্থতার হার। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ২৩১ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের তুলনায় খানিকটা বেশি। এখনও পর্যন্ত ৪ লক্ষ ৭২ হাজার ৪৫৪ জন করোনা মতো ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করে জয়ী হয়েছেন। টেস্টের সংখ্যা বাড়িয়ে দ্রুত করোনাকে রোখাই লক্ষ্য কেন্দ্র ও রাজ্যের। গত ২৪ ঘণ্টায় ৩১ হাজার ৪৫৩টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। তার ফলে টেস্টের সংখ্যা এখনও পর্যন্ত বেড়ে দাঁড়াল ৬১ লক্ষ ৬৭ হাজার ৩০৬টি। তার মধ্যে ৮.১৯ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে করোনায় দৈনিক সংক্রমণ, মৃত্যুর হারে সামান্য স্বস্তি

রবিবার স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলায় মোট করোনা রোগীর সংখ্যা ৫ লক্ষ ২ হাজার ৮৪০। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা ভাইরাস মিলেছে ৩১৪৩ জনের শরীরে। মৃত্যু হয়েছে ৪৬ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার কবল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩১৬৭ জন। এ নিয়ে রাজ্যে করোনা থেকে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়াল ৯৩. ৫১ শতাংশ। এই মুহূর্তে রাজ্যে অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা ২৩, ৮৯৪। মৃত্যু হয়েছে মোট ৮৭২৩জনের। আর সুস্থ হয়ে ফিরেছেন মোট ৪ লক্ষ ৭০ হাজার ২২৩ জন। তবে সংক্রমণের শীর্ষে এদিনও কলকাতা, দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে ফের বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার দুই জেলায় এই মুহূর্তে করোনা পজিটিভ যথাক্রমে ৫৯৪৮ ও ৫১৫৩। আর করোনাযুদ্ধে সবচেয়ে এগিয়ে দুই জেলা আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং। দুই জায়গাতেই এই মুহূর্তে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যার ১০০র বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ৪৪, ১৮৬ টি করোনার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। যার মধ্যে পজিটিভ রিপোর্ট ৮.২ শতাংশ। এনিয়ে মোট করোনার নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়াল ৬০ লক্ষ ৯১ হাজার ৬৬৮।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে ফের বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের শনিবারের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ১৭৫ জন। কলকাতায় একদিনে আক্রান্ত হয়েছে ৭৮৮ জন। দৈনিক সংক্রমিতের নিরিখে তার ঠিক পরেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে চলেছে উত্তর ২৪ পরগনা। দক্ষিণবঙ্গের এই জেলাতেও আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে হু হু করে। তার ফলে বর্তমানে বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ৯৯ হাজার ৬৯৭ জন। একদিনে কিছুটা হলেও কমেছে মৃতের সংখ্যা। কোভিডে প্রাণ হারিয়েছেন ৪৯ জন। রাজ্যে মোট কোভিডে প্রাণ গেল ৮ হাজার ৬৭৭ জনের। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে সামান্য কমল দৈনিক করোনা সংক্রমণ সংক্রমিতের হার কমার পাশাপাশি বাড়ছে রাজ্যে সুস্থতার হার। ৯৩.৪৭ শতাংশ ব্যক্তি করোনাকে জয় করেছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনাজয়ী ৩ হাজার ২০৭ জন। তার ফলে কোভিডকে হারিয়ে এতদিনে মোট সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন ৪ লক্ষ ৬৭ হাজার ৫৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৪ হাজার ৩৮৯ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট ৬০ লক্ষ ৯১ হাজার ৬৬৮ টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। তার মধ্যে ৮.২০ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে সামান্য কমল দৈনিক করোনা সংক্রমণ

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ২০৬ জন। এ নিয়ে শুক্রবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৯৬ হাজার ৫২২। সংক্রমণ ও মৃত্যুতে সকলের শীর্ষে কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনা। কলকাতায় এখনও করোনা রোগীর সংখ্যা ৬০০০ ছুঁইছুঁই। তুলনায় অনেকটা কম উত্তর ২৪ পরগনায় তা ৫ হাজারের বেশি। করোনাযুদ্ধে সবচেয়ে এগিয়ে দুই জেলা কালিম্পং ও আলিপুরদুয়ার। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা বেড়ে দাড়িয়েছে ২৪ হাজার ৪৫। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন সূত্রে এ তথ্য জানা গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে সামান্য কমল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ২১৫ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ৬৩ হাজার ৮৪৯ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার ৯৩.৪২ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্য়ে আরও ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৮৬২৮। শুক্রবার ৪৪ হাজার ৩৫১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৬০ লক্ষ ৪৭ হাজার ২৭৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে সামান্য কমল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের বৃহস্পতিবারের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ২৪৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৭৭৪ জন। একইভাবে সংক্রমণের নিরিখে কলকাতার পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানেও করোনা সংক্রমণ একেবারে রোখা সম্ভব হচ্ছে না। ৭১৫ জন একদিনে আক্রান্ত হয়েছেন। তার ফলে সব মিলিয়ে রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ৯৩ হাজার ৩১৬ জন। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে ৫ লক্ষের দোরগোড়ায় মোট করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা গোটা রাজ্যে বৃহস্পতিবার করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৪৯ জনের। তার ফলে রাজ্যে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৫৭৬ জন। রাজ্যে একদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩,২৫৭ জন৷ বাংলায় এই পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪ লক্ষ ৬০ হাজার ৬৩৪ জন৷ বাংলায় বর্তমানে সুস্থতার হার ৯৩.৩৮ শতাংশ। একদিনে বাংলায় ৪৪ হাজার ১৩০ জনের করোনা পরীক্ষা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে কোভিড টেস্ট হয়েছে ৫৯ লক্ষ ৫৮ হাজার ৭৯৮ জন। তার মধ্যে ৮.২২ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে ৫ লক্ষের দোরগোড়ায় মোট করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা

স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে বাংলার ৩,২২১ জনের শরীরে থাবা বসিয়েছে করোনা ভাইরাস। তাঁদের মধ্যে ৮৪১ জনই কলকাতার। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা থাকলেও কমেছে সেখানকার নতুন আক্রান্তের সংখ্যা। একদিনে সেখানে নতুন করে সংক্রমিত ৬৯৭ জন। তৃতীয় স্থানে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন করে আক্রান্ত ১৮৮ জন। উত্তরবঙ্গের দুই জেলা দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ি নতুন করে বাড়াচ্ছে চিন্তা। এছাড়াও অন্যান্য জেলা থেকেও নতুন আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। যার জেরে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪, ৯০, ০৭০। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে করোনায় সুস্থতার হার ৯৩ শতাংশের বেশি এদিন করোনায় মৃত ৫১ জনের মধ্যে ১২ জনই কলকাতার। ১১ জন উত্তর ২৪ পরগনার। করোনা প্রাণ কেড়েছে বাংলার মোট ৮,৫২৭ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে হারিয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩, ২৭৫ জন। বাংলার মোট করোনাজয়ীর সংখ্যা ৪, ৫৭, ৩৭৭ জন। সুস্থতার হার ৯৩.৩৩ শতাংশ। এদিন করোনা পরীক্ষা হয়েছে মোট ৪২, ৬২৪ জন। এখনও পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৫৯, ৫৮, ৭৯৮ জনের।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে করোনায় সুস্থতার হার ৯৩ শতাংশের বেশি

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৩১৫ জন।এদের মধ্যে ৮০৭ জন কলকাতার। অর্থাৎ সংক্রমণের নিরিখে আজও প্রথমে তিলোত্তমা। দ্বিতীয়ে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন করে সংক্রমিত ৭৯৬ জন। তৃতীয় স্থানে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন আক্রান্ত ২০৯ জন। হাওড়ায় ১৭১ জন। হুগলিতে ১১৮ জন। অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়িতে নতুন করে সংক্রমিত ১১৩ জন। এছাড়াও রাজ্যের অন্যান্য প্রায় সব জেলা থেকেই মিলেছে সংক্রমিতের হদিশ। এর ফলে বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৮৬ হাজার ৭৯৯। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের মোট সংখ্যা ২৪ হাজার ২২১। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন সূত্রে এ তথ্য জানা গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে নিম্নমুখী করোনা আক্রান্তের সংখ্যা গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৩৪০ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ৫৪ হাজার ১০২ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে ৯৩.২৮ শতাংশ। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৮৪৭৬। মঙ্গলবার ৪৩ হাজার ২৪১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৯ লক্ষ ১৬ হাজার ১৭৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

ডিসেম্বর ০২, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে নিম্নমুখী করোনা আক্রান্তের সংখ্যা

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৬৭১ জন। এ নিয়ে সোমবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৮৩ হাজার ৪৮৪। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ২৪ হাজার ২৯৮। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন সূত্রে এ তথ্য জানা গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ২ হাজার ৭৩০ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ৫০ হাজার ৭৬২ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৯৩.২৩ শতাংশ। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৮৪২৪। আরও পড়ুনঃ রাজ্যে ফের বাড়ল করোনায় মৃতের সংখ্যা সোমবার ৩৮ হাজার ১৭৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৮ লক্ষ ৭২ হাজার ৯৩৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। তবে ধারা বজায় রেখে ফের শীর্ষে কলকাতা। একদিনে এখানে ৭৩৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন। ফের বেড়েছে কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যাও। রবিবারই কলকাতার তিনটি এলাকা বালিগঞ্জ, টালিগঞ্জ ও গড়িয়ার একাংশকে কনটেনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার সেই তালিকায় জুড়ল ভবানীপুরের বহুতল। কলকাতার পরেই আক্রান্তের নিরিখে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানেও যেন বাগে আনা যাচ্ছে না আক্রান্তের গ্রাফ। ফলে রাজ্যে মোট সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ৮৩ হাজার ৪৮৪ জন।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে ফের বাড়ল করোনায় মৃতের সংখ্যা

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৩৬৭ জন। বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৮০ হাজার ৮১৩। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের মোট সংখ্যা ২৪ হাজার ৪০৫। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন সূত্রে এ তথ্য জানা গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৪৪৫ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ৪৮ হাজার ৩২ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে ৯৩.১৮ শতাংশ। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৮৩৭৬। আরও পড়ুন ঃ ফের রাজ্যে বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার ৪৫ হাজার ২০৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৮ লক্ষ ৩৪ হাজার ৭৫৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। তবে কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনা সেই সংক্রমণের শীর্ষেই। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণের রেকর্ড শহর কলকাতায়। রবিবারও কলকাতায় ৯০০র কাছাকাছি বাসিন্দা নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন। যদিও এই সময়েই কলকাতায় করোনা মুক্ত হয়েছেন ৯৪১ জন রোগী। কলকাতার পাশাপাশি উত্তর ২৪ পরগনাতেও সংক্রমণের দাপট বেড়েই চলেছে। এই মুহূর্তে জেলায় করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা ৬,২২২।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

আমেরিকায় পঞ্চাশ বছরে প্রথম তেল শোধনাগার, গড়ছে মুকেশ আম্বানির সংস্থা

আমেরিকায় নতুন একটি তেল শোধনাগার তৈরি হতে চলেছে এবং সেই প্রকল্পে বড় ভূমিকা নিতে চলেছে মুকেশ আম্বানির সংস্থা রিলায়েন্স। এমনই ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানান, টেক্সাসের ব্রাউনসভিল এলাকায় এই নতুন শোধনাগার তৈরি হবে। তাঁর দাবি, গত পঞ্চাশ বছরের মধ্যে এটিই হবে আমেরিকার প্রথম নতুন তেল শোধনাগার।ট্রাম্প বলেন, এই প্রকল্প আমেরিকার জ্বালানি শক্তিকে আরও মজবুত করবে। তাঁর কথায়, আমেরিকা আবার শক্তির আধিপত্যের পথে ফিরছে এবং দেশের স্বার্থই সবার আগে থাকবে। তিনি এই প্রকল্পে বিনিয়োগের জন্য ভারতের অংশীদার এবং দেশের অন্যতম বড় বেসরকারি জ্বালানি সংস্থা রিলায়েন্সকে ধন্যবাদ জানান।ট্রাম্প আরও দাবি করেন, এই শোধনাগারটি বিশ্বের অন্যতম পরিচ্ছন্ন তেল শোধনাগার হবে। এর ফলে আমেরিকার বিপুল আর্থিক লাভ হবে বলেও তিনি জানান। তবে এই প্রকল্প ভারতের সঙ্গে কোনও বড় চুক্তির অংশ কি না, তা তাঁর ঘোষণায় স্পষ্টভাবে বলা হয়নি।জানা যায়, ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং মুকেশ আম্বানির মধ্যে দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক রয়েছে। গত বছর কাতারে একটি অনুষ্ঠানে ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করেছিলেন রিলায়েন্সের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি। এছাড়া ভেনেজুয়েলার তেল কেনার বিষয়েও হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল রিলায়েন্স। এবার আমেরিকার মাটিতে তেল শোধনাগার তৈরির ঘোষণা সেই সম্পর্ককেই আরও স্পষ্ট করে তুলল।উল্লেখ্য, ইরানকে ঘিরে ইজরায়েল ও আমেরিকার সংঘাতের আবহে এই ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। এই সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহণ হয়। সেই পথ এখন বড়সড় চাপের মুখে পড়েছে।এই পরিস্থিতিতে অনেক তেলের ট্যাঙ্কার এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলাচল করতে পারছে না বলে জানা যাচ্ছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে। এই জ্বালানি সংকটের প্রভাব বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই পড়ছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই আমেরিকায় নতুন তেল শোধনাগার তৈরির ঘোষণা বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

মার্চ ১১, ২০২৬
রাজ্য

জলাজমি ভরাট করে বাড়ি? এবার পুলিশের তলব হুমায়ুন কবীরের স্ত্রীকে

তৃণমূল কংগ্রেসের সাসপেন্ড হওয়া বিধায়ক এবং আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। জলাজমি ভরাট করে বাড়ি তৈরির অভিযোগে এবার তাঁর স্ত্রী মিতা সুলতানাকে তলব করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুর বারোটা নাগাদ তাঁকে শক্তিপুর থানায় হাজির হতে বলা হয়েছে।মুর্শিদাবাদের মানিক্যহার গ্রামে হুমায়ুন কবীরের বাড়ি রয়েছে। ওই বাড়িটি তাঁর স্ত্রী মিতা সুলতানার নামে নথিভুক্ত। সেই বাড়িকে ঘিরেই অভিযোগ উঠেছে যে জমির চরিত্র পরিবর্তন না করেই সেখানে বাড়ি তৈরি করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, যে জমির উপর বাড়ি তৈরি হয়েছে সেটি আগে নালা বা জলাশয়ের অংশ ছিল।এই বিষয়টি নিয়ে এর আগেই ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তর থেকে একটি নোটিস পাঠানো হয়। নোটিসে জানানো হয়, মানিক্যহার মৌজার নির্দিষ্ট একটি প্লটে প্রায় শূন্য দশমিক দুই একর জমির চরিত্র বেআইনিভাবে পরিবর্তন করা হয়েছে বলে অভিযোগ এসেছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে সাত দিনের মধ্যে লিখিতভাবে জবাব দিতে বলা হয় হুমায়ুন কবীরের স্ত্রীকে। একই সঙ্গে জানানো হয়, জবাব না পেলে আইন অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।নালা প্রকৃতির জমি সাধারণত জল বের হওয়ার ছোট খাল বা ডোবার মতো জায়গাকে বোঝায়। এই ধরনের জমি জলাশয় বা কৃষিজমির অংশ হিসেবে ধরা হয়। আইন অনুযায়ী এমন জমি ভরাট করা বা তার ব্যবহার পরিবর্তন করা বেআইনি। ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের অনুমতি ছাড়া এর চরিত্র বদলানো যায় না।তবে এই অভিযোগ মানতে নারাজ হুমায়ুন কবীর। তাঁর দাবি, যে বাড়ি নিয়ে এখন এত বিতর্ক হচ্ছে সেখানে তিনি প্রায় সতেরো থেকে আঠারো বছর ধরে বসবাস করছেন। তিনি জানান, জমির চরিত্র পরিবর্তন করে ভিটে করার জন্য বাম আমলেও একাধিকবার সরকারি দপ্তরে আবেদন করেছিলেন। তাঁর বক্তব্য, বাড়ি তৈরি করার সময় প্রশাসনের তরফে কোনও আপত্তি তোলা হয়নি।এখন তাঁর স্ত্রীর কাছে নোটিস পাঠানোকে তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলেই দাবি করেছেন। হুমায়ুন কবীরের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করার পর থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

মার্চ ১১, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধের ছ্যাঁকায় কার্যত লকডাউন পাকিস্তানে! অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ স্কুল, অফিসে আসতে হবে না সরকারি কর্মীদের

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব এখন ধীরে ধীরে বিশ্বজুড়ে পড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনার কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে বড় ধাক্কা লেগেছে। অভিযোগ উঠছে, ইরান এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করছে এবং পাশাপাশি আশপাশের দেশের তেল উৎপাদন ও শোধনাগারেও হামলা চালানো হচ্ছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংঘাত যদি দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে, তবে বিশ্ব অর্থনীতির উপর তার বড় প্রভাব পড়তে পারে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি দেশে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। শুধু ভারত নয়, প্রায় দশটি দেশ এই সমস্যার মুখে পড়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছে পাকিস্তান।জ্বালানি বাঁচাতে পাকিস্তান কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে শুরু করেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কার্যত লকডাউনের মতো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ঘোষণা করেছেন যে স্কুলগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে পড়াশোনা হবে অনলাইনে। সরকারি অফিসগুলির কাজের দিনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।সরকারি দপ্তরগুলিতে আগামী দুই মাস জ্বালানির ব্যবহার অর্ধেক কমিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্যাঙ্ক ছাড়া অন্য সরকারি অফিস সপ্তাহে মাত্র চার দিন খোলা থাকবে। এছাড়া জরুরি পরিষেবা ছাড়া সরকারি কর্মীদের একটি বড় অংশকে বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রীদের ভাতাও কমানো হয়েছে।শুধু পাকিস্তান নয়, জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের উপরেও। সেখানে জ্বালানি ব্যবহারে সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। মোটরসাইকেলের জন্য দিনে সর্বোচ্চ দুই লিটার এবং গাড়ির জন্য দশ লিটার জ্বালানি নেওয়ার নিয়ম চালু হয়েছে।ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও জ্বালানির চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। শ্রীলঙ্কায় জ্বালানির দাম প্রায় আট শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। মায়ানমারে গাড়ি চলাচলের জন্য জোড় ও বিজোড় নম্বরের নিয়ম চালু করা হয়েছে। অনেক জায়গায় জ্বালানি না থাকায় পাম্প বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ফলে অনেক মানুষ পাশের দেশ থাইল্যান্ডে গিয়ে তেল কিনছেন।আমেরিকার কিছু রাজ্যেও জ্বালানির দাম বেড়েছে। ফ্লোরিডা এবং লুইজিয়ানায় প্রতি গ্যালন গ্যাসের দাম প্রায় এগারো সেন্ট পর্যন্ত বেড়েছে। ভিয়েতনামেও জ্বালানি সংকট মোকাবিলার জন্য বিশেষ টাস্ক ফোর্স তৈরি করা হয়েছে।বর্তমানে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ফ্রান্স, আমেরিকা, জার্মানি, পোল্যান্ড, ভিয়েতনাম, শ্রীলঙ্কা এবং ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশগুলিতে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত যদি দ্রুত থামানো না যায়, তবে আগামী দিনে এই সংকট আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মার্চ ১১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে মন্দিরে যাওয়া ঘিরে তুমুল বিতর্ক, কীর্তি আজাদকে কড়া জবাব গম্ভীরের

ভারতের টি-কুড়ি বিশ্বকাপ জয়ের পর বিশ্বকাপ ট্রফি মন্দিরে নিয়ে যাওয়া নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন উনিশশো তিরাশি সালের বিশ্বজয়ী দলের সদস্য কীর্তি আজাদ। তাঁর সেই মন্তব্যের পালটা জবাব দিয়েছেন ভারতের প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর এবং প্রাক্তন ক্রিকেটার হরভজন সিং। এই বিতর্কে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন উইকেটরক্ষক ঈশান কিষানও।ঘটনার সূত্রপাত বিশ্বকাপ জয়ের রাতেই। ট্রফি হাতে মন্দিরে গিয়েছিলেন দলের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব এবং প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার চেয়ারম্যান জয় শাহও। এই ঘটনাকে ঘিরেই প্রশ্ন তোলেন কীর্তি আজাদ। তাঁর বক্তব্য, বিশ্বকাপ ট্রফি দেশের সব ধর্মের মানুষের গর্ব। সেই ট্রফি কেন শুধু একটি নির্দিষ্ট ধর্মের উপাসনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হবে। তিনি আরও মনে করিয়ে দেন যে দলের হয়ে সঞ্জু স্যামসন ও মহম্মদ সিরাজের মতো ক্রিকেটাররাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।বিশ্বকাপ জয়ের পর ঈশান কিষান পাটনা বিমানবন্দরে পৌঁছলে সাংবাদিকরা কীর্তি আজাদের মন্তব্য নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করেন। সেই প্রশ্নে কিছুটা বিরক্ত হয়ে ঈশান বলেন, তাঁরা এত পরিশ্রম করে বিশ্বকাপ জিতেছেন এবং সেই সাফল্য নিয়েই কথা হওয়া উচিত। পরে যখন তাঁকে বিশ্বকাপ জয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়, তখন তিনি জানান যে দেশের জন্য এই জয় অত্যন্ত আনন্দের এবং স্মরণীয়।অন্যদিকে কীর্তি আজাদের মন্তব্য নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দেন গৌতম গম্ভীর। তাঁর বক্তব্য, এই ধরনের প্রশ্নের কোনও গুরুত্ব নেই। ভারতের বিশ্বকাপ জয় বড় ঘটনা এবং সেটাই উদযাপন করা উচিত। তিনি বলেন, এই ধরনের মন্তব্য করলে দলের পনেরো জন ক্রিকেটারের কঠোর পরিশ্রমকে ছোট করা হয়।এই বিতর্কে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন স্পিনার হরভজন সিংও। তিনি বলেন, একটি দল চাইলে ট্রফি মন্দিরে, মসজিদে বা গির্জায় যেখানেই খুশি নিয়ে যেতে পারে। যদি কেউ নিজের বিশ্বাস অনুযায়ী প্রার্থনা করেন, তাতে সমস্যা কোথায়। তাঁর মতে, দেশের বড় জয়কে নিয়ে রাজনীতি করা উচিত নয়। তিনি আরও বলেন, ঈশ্বরের রূপ আলাদা হতে পারে, কিন্তু বিশ্বাসের পথ এক। তাই কারও বিশ্বাস নিয়ে প্রশ্ন তোলা ঠিক নয়।

মার্চ ১১, ২০২৬
কলকাতা

আজই বাংলায় আসছেন নতুন রাজ্যপাল আর এন রবি, শপথের আগে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তেজনা

পশ্চিমবঙ্গে নতুন রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব নিতে বুধবারই কলকাতায় আসছেন আর এন রবি । জানা গিয়েছে, এদিন সন্ধ্যা প্রায় ছয়টা পঁচিশ মিনিটে তিনি কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছবেন। সেখানে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হবে । এরপর বৃহস্পতিবার তাঁর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।এর আগে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল ছিলেন ডক্টর সিভি আনন্দ বোস । তবে নিজের কার্যকালের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তিনি গত পাঁচ মার্চ আচমকা দিল্লিতে গিয়ে ইস্তফা দেন। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তাঁর ইস্তফা গ্রহণ করার পরই ঘোষণা করা হয় যে আর এন রবি পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী রাজ্যপাল হচ্ছেন। এই ঘোষণার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় তীব্র আলোচনা এবং বিতর্ক।নতুন রাজ্যপালকে নিয়ে কড়া মন্তব্য করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বিজেপি ছাড়া আর কোনও কাজ করেন না এমন একজন ব্যক্তিকে রাজ্যপাল করা হয়েছে । তিনি আরও বলেন, তামিলনাড়ুতে যা করেছেন করেছেন, কিন্তু বাংলা সম্পূর্ণ আলাদা।আর এন রবি উনিশশো ছিয়াত্তর সালের কেরল ক্যাডারের আইপিএস অফিসার। কর্মজীবনে তিনি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি মেঘালয় এবং তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল হিসেবেও কাজ করেছেন। এবার তাঁকেই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।এরই মধ্যে মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিদায়ী রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করেন। তার আগে তিনি এসআইআর বিরোধী অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন। সেই কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর ধর্মতলা থেকে সরাসরি রাজভবনে যান তিনি।সেখানে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তাঁর সঙ্গে সিভি আনন্দ বোসের সম্পর্ক ভালো ছিল। তিনি অভিযোগ করেন, ভোটের আগে হঠাৎ করে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, তিনি আনন্দ বোসকে বলেছেন যে এতদিন বাংলায় থাকার ফলে তিনি এই রাজ্যকে ভালোভাবে চেনেন, তাই ভবিষ্যতে আবার বাংলায় আসার জন্যও তাঁকে অনুরোধ করেছেন।এখন নতুন রাজ্যপাল হিসেবে আর এন রবির আগমনের পর রাজভবন এবং নবান্নের সম্পর্ক ভবিষ্যতে কীভাবে গড়ে ওঠে, তা নিয়েই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ১১, ২০২৬
দেশ

কোমায় পড়ে থাকা যুবকের জীবনের শেষ অধ্যায়, আদালতের অনুমতিতে সরানো হবে লাইফ সাপোর্ট

বারো বছরেরও বেশি সময় ধরে কোমায় থাকা এক যুবকের জীবনরক্ষাকারী কৃত্রিম চিকিৎসা ব্যবস্থা তুলে নেওয়ার অনুমতি দিল দেশের শীর্ষ আদালত। বুধবার সুপ্রিম কোর্ট এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত জানায়। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ওই যুবকের শরীরে চলা কৃত্রিম জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা ধীরে ধীরে বন্ধ করা হবে।জানা গিয়েছে, হরিশ রানা নামে ওই যুবক দুই হাজার তেরো সালে একটি ভবনের চতুর্থ তলা থেকে পড়ে গুরুতর মাথায় আঘাত পান। সেই দুর্ঘটনার পর থেকেই তিনি কোমায় রয়েছেন। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তাঁর অবস্থার কোনও উন্নতি হয়নি।বিচারপতি জে বি পারদিওয়ালা এবং কে ভি বিশ্বনাথনের বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে যে দিল্লির সর্বভারতীয় চিকিৎসা বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠানে তাঁকে উপশমমূলক চিকিৎসা কেন্দ্রে ভর্তি করা হবে। সেখানে পরিকল্পনা মেনে ধাপে ধাপে জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা তুলে নেওয়া হবে, যাতে তাঁর মর্যাদা বজায় থাকে।এর আগে আদালত ওই যুবকের বাবা-মায়ের সঙ্গেও দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিল। চিকিৎসকদের একটি বিশেষ কমিটি তাঁর চিকিৎসা সংক্রান্ত বিস্তারিত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয়। সেই প্রতিবেদনে বলা হয়, তাঁর সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে। আদালতও এই রিপোর্টকে অত্যন্ত দুঃখজনক বলে মন্তব্য করে।নিষ্ক্রিয় ইউথেনেশিয়া বলতে বোঝায় এমন পরিস্থিতি, যখন রোগীর শরীর বাঁচিয়ে রাখতে যে কৃত্রিম চিকিৎসা বা যন্ত্রের প্রয়োজন হয়, তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। যেমন ভেন্টিলেটর বা খাবার দেওয়ার নল। এতে রোগী স্বাভাবিকভাবেই মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যান। সক্রিয় ইউথেনেশিয়ার মতো এখানে কোনও প্রাণঘাতী ওষুধ দেওয়া হয় না, বরং চিকিৎসা বন্ধ করা হয় যখন সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।ভারতে নিষ্ক্রিয় ইউথেনেশিয়াকে সুপ্রিম কোর্ট দুটি গুরুত্বপূর্ণ রায়ের মাধ্যমে স্বীকৃতি দিয়েছে। দুই হাজার এগারো সালে অরুণা শানবাগ মামলায় প্রথমবার আদালত বিশেষ পরিস্থিতিতে নিষ্ক্রিয় ইউথেনেশিয়াকে অনুমতি দেয়। অরুণা শানবাগ মুম্বইয়ের একটি হাসপাতালে কর্মরত নার্স ছিলেন। উনিশশো তেহাত্তর সালে এক নৃশংস আক্রমণের পর তিনি দীর্ঘ সময় কোমায় ছিলেন। সেই মামলায় আদালত তাঁর জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা বন্ধের আবেদন খারিজ করলেও বিশেষ পরিস্থিতিতে এই ব্যবস্থা নেওয়ার আইনি পথ খুলে দেয়।এরপর ২০১৮ সালে একটি ঐতিহাসিক রায়ে সুপ্রিম কোর্ট জানায় যে মর্যাদার সঙ্গে মৃত্যুর অধিকারও সংবিধানের জীবনের অধিকারের অংশ। সেই রায়ে জীবনের শেষ পর্যায়ে নিজের ইচ্ছা আগেই লিখে রাখার ব্যবস্থাও স্বীকৃতি পায়।পরবর্তীতে ২০২৩ সালে আদালত এই নিয়ম আরও সহজ করে দেয় যাতে পরিবারগুলির জন্য প্রক্রিয়াটি বাস্তবসম্মত হয়। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, প্রথমে হাসপাতালের চিকিৎসকদের একটি বোর্ডকে জানাতে হয় যে রোগীর সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এরপর আরেকটি চিকিৎসক বোর্ডও সেই মত নিশ্চিত করে। রোগী যদি নিজের মত জানাতে না পারেন, তবে পরিবারের সদস্য বা নিকট আত্মীয় এই প্রক্রিয়া শুরু করতে পারেন।হরিশ রানার মামলায় সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন। দীর্ঘদিন কোমায় থাকা রোগীদের চিকিৎসা এবং মর্যাদার সঙ্গে মৃত্যুর অধিকার নিয়ে আবারও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ১১, ২০২৬
কলকাতা

আচমকা ইস্তফার পর বাংলাবাসীর উদ্দেশে আবেগঘন চিঠি রাজ্যপাল আনন্দ বোসের

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর রাজ্যের মানুষকে উদ্দেশ করে একটি আবেগঘন খোলা চিঠি লিখলেন সিভি আনন্দ বোস। চিঠিতে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের প্রতি তাঁর ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার কথা প্রকাশ করেছেন।চিঠির শুরুতেই তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে নিজের প্রিয় ভাই ও বোন বলে উল্লেখ করেন। তিনি লেখেন, এই রাজ্যের মানুষের ভালোবাসা, সমর্থন এবং সহযোগিতার জন্য তিনি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। রাজ্যপাল হিসেবে তাঁর দায়িত্ব শেষ হলেও পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কখনও শেষ হবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর কথায়, পশ্চিমবঙ্গ এখন তাঁর দ্বিতীয় বাড়ি এবং ভবিষ্যতেও তিনি এই রাজ্যের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন।চিঠিতে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের আন্তরিকতা ও উষ্ণতার কথা স্মরণ করেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা হওয়া, শিশুদের উচ্ছ্বাস, তরুণদের দৃঢ় করমর্দন এবং প্রবীণদের স্নেহময় দৃষ্টিএই সব স্মৃতি তাঁর কাছে অমূল্য হয়ে থাকবে বলে জানান তিনি।আনন্দ বোস মহাত্মা গান্ধীর একটি উক্তির কথাও উল্লেখ করেন। তিনি লেখেন, মহাত্মা গান্ধী বলেছিলেন তিনি বাংলাকে ছেড়ে যেতে পারেন না এবং বাংলা তাঁকে যেতে দেবে না। এই কথার সঙ্গে নিজের অনুভূতির মিল খুঁজে পেয়েছেন বলেও তিনি জানান।চিঠিতে তিনি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উক্তির কথাও তুলে ধরেন। সেখানে শ্রমজীবী মানুষের মধ্যেই ঈশ্বরের উপস্থিতির কথা বলা হয়েছে। গত কয়েক বছরে তিনি রাজ্যের বিভিন্ন জেলা ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন বলে জানান। গ্রামের মানুষের বাড়িতে বসে খাওয়া, ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে পড়াশোনা করা এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করার অভিজ্ঞতা তাঁর কাছে খুবই মূল্যবান বলে তিনি উল্লেখ করেন।তিনি আরও লেখেন, বাংলার মানুষ তাঁদের সংস্কৃতি ও সামাজিক মূল্যবোধ নিয়ে গর্ব অনুভব করেন এবং এই বিষয়টি বাংলার মানসিকতার পরিচয় দেয়।চিঠির শেষে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের উন্নতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। তিনি বিশ্বাস প্রকাশ করেন যে আগামী দিনে বাংলা আরও সাফল্যের শিখরে পৌঁছাবে। সবশেষে তিনি বাংলার মানুষের সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ কামনা করে লেখেন, মা দুর্গা যেন এই রাজ্যের মানুষকে রক্ষা করেন।

মার্চ ১১, ২০২৬
কলকাতা

অটোর গ্যাসের দামে হঠাৎ বড় ধাক্কা, লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে ক্ষোভে ফুঁসছেন চালকরা

রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ার পর থেকেই জ্বালানির বাজারে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। এবার সেই উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে লিটার প্রতি পাঁচ টাকা বেড়ে গেল অটোয় ব্যবহৃত এলপিজির দাম। হঠাৎ এই মূল্যবৃদ্ধিতে সমস্যায় পড়েছেন শহরের অটোচালকরা।চালকদের অভিযোগ, এতদিন লিটার প্রতি গ্যাসের দাম ছিল সাতান্ন টাকা আটষট্টি পয়সা। কিন্তু হঠাৎ করেই পাঁচ টাকা বাড়িয়ে এখন সেই দাম দাঁড়িয়েছে বাষট্টি টাকা আটষট্টি পয়সা।এদিকে বুধবার ভোররাত থেকেই শহরের প্রায় সব গ্যাস পাম্পে রিফিলের জন্য দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। বেঙ্গল কেমিক্যাল পাম্প থেকে সিটি সেন্টার পর্যন্ত প্রায় একই ছবি চোখে পড়েছে। গ্যাস ভরার জন্য অনেক চালককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে।পাম্প কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, কয়েক মিনিট আগেও পুরনো দামেই গ্যাস দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ নতুন নির্দেশিকা আসায় দাম বাড়াতে হয়েছে। কেন এই মূল্যবৃদ্ধি হল, তা নিয়ে ধোঁয়াশায় রয়েছেন অনেকেই।অটোচালকদের অভিযোগ, একদিকে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে গ্যাস ভরাতে হচ্ছে, অন্যদিকে হঠাৎ দাম বেড়ে যাওয়ায় তাঁদের সমস্যা আরও বেড়েছে। অনেকেই বলছেন, গ্যাস ভরতে কমপক্ষে তিন থেকে চার ঘণ্টা সময় লাগছে। কেউ কেউ আবার জানিয়েছেন, আগের দিন দুই থেকে তিন ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও গ্যাস পাননি।এর ফলে সময়মতো রুটে পৌঁছাতে না পারায় তাঁদের রোজগারেও প্রভাব পড়ছে। অনেক চালকই বলছেন, এই পরিস্থিতিতে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে।অন্যদিকে গ্যাস সরবরাহকারী সংস্থার কর্মীরাও স্বীকার করছেন যে সরবরাহ কম হয়েছে। তাঁদের মতে, প্রতিদিন যে পরিমাণ গ্যাসের প্রয়োজন হয়, তার প্রায় অর্ধেকই এখন পাম্পে পৌঁছাচ্ছে। ফলে সংকট আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকেই।

মার্চ ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal